সমবায় সমিতি ও সঞ্চয় দল পরিচালনায় যেসব সাধারণ সমস্যা দেখা যায়, আর সমিতি কিপার লাইট কীভাবে সেগুলোর সমাধান দেয় — দেখে নিন।
ভুল হিসাব, কিস্তির বকেয়া, সদস্যের অনাস্থা — সমিতি পরিচালনায় যেসব সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়, সমিতি কিপার লাইট কীভাবে সমাধান দেয়।
খাতায় হাতে যোগ-বিয়োগ — মাস শেষে সদস্যের জমা আর ক্যাশ মিলত না, গরমিল থেকে যেত।
প্রতিটি জমা-উত্তোলন অ্যাপে এন্ট্রি হয়, ব্যালেন্স স্বয়ংক্রিয় হিসাব — কোনো ম্যানুয়াল যোগ-বিয়োগ নেই।
কোন সদস্যের কত কিস্তি বাকি — মনে রাখা যেত না, আদায় পিছিয়ে যেত।
বকেয়া সদস্য অ্যাপে লাল দেখায়, SMS রিমাইন্ডার সময়মতো চলে যায়।
সদস্য জানতে চান তাঁর জমা কত — খাতা দেখিয়ে প্রমাণ দেওয়া কঠিন, অনাস্থা তৈরি হতো।
প্রতিটি লেনদেনে সদস্যের ফোনে SMS নিশ্চিতকরণ, সাথে ডিজিটাল রসিদ।
সাধারণ সঞ্চয়, DPS, FDR ও শেয়ারের আলাদা আলাদা খাতা — মাস শেষে মেলাতে গিয়ে সব গুলিয়ে যেত।
সব স্কিম এক অ্যাপে, সদস্য ধরে ধরে — প্রতিটির ব্যালেন্স আলাদা দেখা যায়।
কোন এলাকায় কার কাছে কত আদায় বাকি — আদায়কারীর কাছে পরিষ্কার তালিকা থাকত না।
এরিয়া-ভিত্তিক কালেকশন লিস্ট — আদায়কারী এলাকা ধরে ধরে আদায় করেন, এন্ট্রি তখনই অ্যাপে।
মাস শেষে আয়-ব্যয় আর ব্যালেন্স মেলাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা — তবু ভুল থেকে যেত।
ডাবল-এন্ট্রি লেজার ও ব্যালেন্স শীট স্বয়ংক্রিয় তৈরি হয়, PDF রিপোর্ট এক ক্লিকে।
আদায়ের সময় ইন্টারনেট থাকে না — এন্ট্রি পরে দিতে গিয়ে ভুল ও বাদ পড়ে যেত।
অফলাইন মোবাইল অ্যাপ — নেট ছাড়াই এন্ট্রি, সংযোগ ফিরলেই স্বয়ংক্রিয় সিঙ্ক।
খাতা ভিজে গেলে, ছিঁড়ে গেলে বা হারালে — বছরের হিসাব উদ্ধারের কোনো উপায় থাকত না।
এনক্রিপ্টেড ক্লাউড ব্যাকআপ — নতুন ফোনে লগইন করলেই সব হিসাব ফিরে আসে।